গাজীপুরের কাপাসিয়ায় নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার একই পরিবারের পাঁচ সদস্যকে গোপালগঞ্জে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। রোববার বেলা ১১টার দিকে জানাজা শেষে তাদের দাফন সম্পন্ন হয়।
নিহতরা হলেন— শারমিন আক্তার (৩৫), তার তিন সন্তান মিম আক্তার (১৫), মারিয়া (১২), ফারিয়া (১) এবং শারমিনের ভাই রসুল হোসেন। তাদের বাড়ি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার পাইককান্দি উত্তর চরপাড়া গ্রামে।
পারিবারিক সূত্র জানায়, শনিবার ভোরে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহগুলো গ্রামের বাড়িতে নেওয়া হয়। সকালে মরদেহ পৌঁছালে স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। একসঙ্গে পাঁচজনের মরদেহ দেখে শোকে স্তব্ধ হয়ে পড়েন প্রতিবেশী ও এলাকাবাসী।
স্থানীয়দের ভাষ্য, শারমিন আক্তার স্বামী ফোরকান মিয়াকে নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গাজীপুরে বসবাস করতেন। তবে তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ ছিল বলে জানা গেছে।
ঘটনার পর থেকেই ফোরকান মিয়া পলাতক রয়েছেন। পুলিশ ও পরিবারের সদস্যদের প্রাথমিক ধারণা, তিনিই এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে পালিয়ে গেছেন।
স্বজনদের অভিযোগ, শুক্রবার বিকেলে চাকরির কথা বলে শ্যালক রসুল হোসেনকে বাসায় ডেকে নেন ফোরকান। পরে রাতের কোনো এক সময় শারমিন, তার তিন সন্তান ও রসুল হোসেনকে গলা কেটে হত্যা করা হয়।
শনিবার সকালে ঘটনাটি প্রকাশ্যে এলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এ খবর ছড়িয়ে পড়ার পর গোপালগঞ্জের গ্রামের বাড়িতেও নেমে আসে শোকের ছায়া।
নিহতদের স্বজন ও এলাকাবাসী দ্রুত হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।