রামু উপজেলায় এক কিশোরী সান্টি দেবি চাকমার অস্বাভাবিক ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারকে ঘিরে সৃষ্টি হয়েছে চাঞ্চল্য ও গভীর রহস্য। নিহতের পরিবার এটিকে পরিকল্পিত হত্যাকান্ড বলে দাবি করলেও গৃহকর্তা পক্ষ বলছে, এটি আত্মহত্যা হতে পারে এবং ঘটনার সময় তারা বাড়িতে ছিলেন না। পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ও তদন্তের ভিত্তিতেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ধারণ করা হবে।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, নিহত সান্টি দেবী চাকমা ওরফে মায়া প্রায় দুই বছর ধরে ওই বাড়িতে গৃহকর্মীর কাজ করতেন। দীর্ঘদিন একই বাসায় কাজ করার পর হঠাৎ তার এমন মৃত্যু হওয়ায় এলাকায় নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, সান্টি দেবি চাকমার ওরফে মায়াকে ধর্ষণের পর বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করা হয়েছে এবং পরে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার জন্য গলায় ওড়না দিয়ে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। প্রেমের সম্পর্ক ও নির্যাতনের অভিযোগ। সাধন বড়ুয়ার এক ছেলে কৌশিক বড়ুয়ার সঙ্গে
নিহত কিশোরী মায়ার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর তাকে মানসিকভাবে নির্যাতন করা হতো বলে অভিযোগ রয়েছে সাধান বড়ুয়ার পরিবারের বিরুদ্ধে। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ফ্যানের সঙ্গে ওড়না বাঁধা অবস্থায় নিচের ফ্লোরে দাঁড়িয়ে রয়েছে সান্তি দেবি চাকমার নিথর দেহ।
কক্সবাজার প্রতিনিধি