🏠︎ » বাংলাদেশ » অপরাধ » গাজীপুরের পাঁচ খুনের প্রধান অভিযুক্ত ফোরকানের মরদেহ উদ্ধার পদ্মা নদীতে

গাজীপুরের পাঁচ খুনের প্রধান অভিযুক্ত ফোরকানের মরদেহ উদ্ধার পদ্মা নদীতে

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় স্ত্রী, তিন মেয়ে ও শ্যালককে হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত ফোরকান মিয়ার মরদেহ পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ভাসমান অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এর আগে পদ্মা সেতুর ওপর থেকে ফোরকানের ব্যবহৃত ব্যাগ ও জামাকাপড় উদ্ধার করেছিল পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। পরে সেগুলো শনাক্তের পর ধারণা করা হয়, হত্যাকাণ্ডের পর তিনি সেতু থেকে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

পুলিশ সূত্র জানায়, পাঁচ খুনের ঘটনার পর থেকেই ফোরকান পলাতক ছিলেন। তাকে গ্রেপ্তারে একাধিক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান চালাচ্ছিল। তদন্তের এক পর্যায়ে পদ্মা সেতু এলাকায় তার কিছু ব্যক্তিগত জিনিসপত্র উদ্ধার করা হয়। পরে বৃহস্পতিবার পদ্মা নদী থেকে তার মরদেহ পাওয়া যায়।

গত শুক্রবার (৮ মে) দিবাগত রাতে কাপাসিয়া উপজেলার রাউতকোনা গ্রামে প্রবাসী মনির হোসেনের ভাড়া বাসায় ঘটে আলোচিত এ হত্যাকাণ্ড। নিহতরা হলেন— ফোরকানের স্ত্রী শারমিন, তিন মেয়ে মীম (১৫), মারিয়া (৮), ফারিয়া (২) এবং শ্যালক রসুল মিয়া।

পেশায় প্রাইভেটকারচালক ফোরকান প্রায় এক বছর আগে ওই বাসার নিচতলা ভাড়া নেন। তার গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জ সদরের মেরী গোপীনাথপুর এলাকায়।

হত্যাকাণ্ডের পরদিন সকালে ফোরকান তার ছোট ভাইয়ের স্ত্রীকে ফোন করে পাঁচজনকে হত্যার কথা জানিয়ে পালিয়ে যাওয়ার কথা বলেন বলে জানিয়েছে পরিবার। পরে প্রতিবেশীরা ঘরে ঢুকে গলাকাটা মরদেহ দেখতে পান।

ঘটনাস্থল থেকে দেশীয় মদের খালি বোতল, রান্না করা পায়েশ ও কোমল পানীয়ের বোতল উদ্ধার করে পুলিশ। এছাড়া কিছু প্রিন্ট করা কাগজও পাওয়া যায়, যেখানে স্ত্রীর বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও পরকীয়ার অভিযোগ করেছিলেন ফোরকান।

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ ধারণা করছে, পারিবারিক কলহ ও দাম্পত্য বিরোধের জের ধরে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আগেই দুজনকে আটক করা হয়েছিল।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ