শীতের নরম উষ্ণতা, সাগরের নীল জলরাশি আর ঢেউয়ের গর্জন—সব মিলিয়ে পর্যটন মৌসুমে নতুন সাজে সেজেছে কক্সবাজার। সাপ্তাহিক ছুটিকে ঘিরে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজারো ভ্রমণপিপাসু ছুটে আসছেন বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতে। লাবণী, সুগন্ধা ও কলাতলী—সব পয়েন্টেই সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলছে ভ্রমণউৎসব।
শুক্রবার সকালে সৈকতজুড়ে দেখা যায় উপচে পড়া পর্যটকের সমাগম। কেউ পরিবারের সঙ্গে, কেউ বন্ধু বা প্রিয়জনকে নিয়ে নেমে পড়ছেন সাগরের নোনাজলে। ঢেউয়ের সাথে একাকার হয়ে শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে সব বয়সের মানুষ উপভোগ করছেন সাগরস্নানের আনন্দ। কেউ টিউব ভাসিয়ে স্রোতের মজা নিচ্ছেন, কেউ আবার ক্যামেরাবন্দি করছেন স্মরণীয় মুহূর্তগুলো।
শীত নামার সাথে সাথে সাগরের রূপ যেন আরও মায়াবী হয়ে ওঠে। নোনাজলের সুগন্ধি বাতাস, বালুচরের কোমলতা আর ঢেউয়ের সুরে এক অদ্ভুত মুগ্ধতা ছড়িয়ে পড়ে সমুদ্রতীরে। প্রকৃতির এমন সৌন্দর্য উপভোগ করতে দূর–দূরান্ত থেকে পরিবার, নবদম্পতি এবং বন্ধুবান্ধবেরা ভিড় করছেন কক্সবাজারে।
পর্যটনকেন্দ্র, বার্মিজ মার্কেট ও বিনোদন স্পটগুলোতেও ভ্রমণকারীদের উপস্থিতিতে জমে উঠেছে উৎসবমুখর পরিবেশ। স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন পর্যটকের চাহিদা সামলাতে।
শীত এলেই যেন কক্সবাজারে সাগর-বাতাস আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। ছুটির দিনে সেই প্রাণচাঞ্চল্যের ঘ্রাণে ভরে ওঠে পুরো সমুদ্রসৈকত এলাকা। পর্যটকদের হাসি-উচ্ছ্বাস আর ঢেউয়ের কল্লোলে সাগরতীর জুড়ে এখন এক উৎসবের আমেজ।