আজ মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) পালিত হচ্ছে পবিত্র শবে বরাত। হিজরি সনের শাবান মাসের ১৪ তারিখের দিবাগত এই মহিমান্বিত রাতটি মুসলমানদের কাছে পরিচিত ক্ষমা ও মুক্তির রাত হিসেবে। ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের বিশ্বাস, এ রাতে মহান আল্লাহ তায়ালার বিশেষ রহমত ও মাগফিরাত বর্ষিত হয়।
শবে বরাত উপলক্ষে মুসলমানরা নফল নামাজ আদায়, পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, জিকির-আজকার ও দোয়া-মোনাজাতে রাত অতিবাহিত করেন। অতীতের ভুল ও গুনাহের জন্য ক্ষমা প্রার্থনার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ জীবনের শান্তি, কল্যাণ ও সফলতা কামনা করা হয় এ রাতে।
ইসলামি বিশ্বাস অনুযায়ী, শবে বরাতের রাতে পরবর্তী এক বছরের হায়াত, রিজিক ও আমলের ফয়সালা হয়। এই বিশ্বাস থেকেই বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলমানরা ইবাদত বন্দেগিতে নিজেদের নিয়োজিত রাখেন। অনেকেই প্রিয়জনের কবর জিয়ারত করে মৃত আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।
পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে আগামী বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দেশে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে সরকারি অফিস, আদালত ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।
এদিকে শবে বরাত মুসলমানদের জন্য পবিত্র রমজানের আগমনী বার্তাও বহন করে। শাবান মাসের পরেই শুরু হয় সংযম ও আত্মশুদ্ধির মাস রমজান। তাই অনেকেই এই রাত থেকেই রমজানের প্রস্তুতি শুরু করেন ইবাদতে মনোনিবেশ, আত্মসংযমের চর্চা এবং নৈতিক উন্নয়নের প্রত্যয় নিয়ে।
শবে বরাত মুসলমানদের জীবনে আত্মসমালোচনা, আত্মশুদ্ধি ও আল্লাহর নৈকট্য লাভের এক অনন্য সুযোগ হিসেবে বিবেচিত হয়।