🏠︎ » বিশ্ব » সুইডেনে ইসরাইল বিরোধী বিক্ষোভের ঢেউ

সুইডেনে ইসরাইল বিরোধী বিক্ষোভের ঢেউ

শিরোনাম: স্টকহোমে ইসরাইলি দখল এবং যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ

সুইডেনের স্টকহোমে শত শত বিক্ষোভকারী ইসরাইলের পশ্চিম তীর দখল এবং যুদ্ধবিরতি চুক্তি না মানার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছেন। বিক্ষোভকারীরা ইসরাইলের প্রতিনিয়ত চলমান পশ্চিম তীরের অধিকরণ পরিকল্পনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রতিবাদ জানাতে রাস্তায় নেমে আসেন।

ইসরাইলি কার্যক্রমের তীব্র নিন্দা

বিক্ষোভকারীরা ফিলিস্তিনি পতাকা এবং বিভিন্ন স্লোগান লেখা ব্যানার নিয়ে স্টকহোমের ওডেনপ্ল্যান স্কয়ারে জড়ো হন এবং সুইডিশ পার্লামেন্টের দিকে মিছিল করেন। তাদের হাতে ছিল স্লোগান, যেমন “ফিলিস্তিনকে মুক্তি দাও, খুনি ইসরাইল, ফিলিস্তিন থেকে বেরিয়ে যাও, এবং পশ্চিম তীরের অধিগ্রহণকে না। তারা ইসরাইলের দখলদারিত্বের নিন্দা জানান এবং আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হন।

বিক্ষোভকারীরা ইসরাইলি বাহিনীর পশ্চিম তীরে চলমান আক্রমণ এবং সেখানে তাদের সেনাবাহিনীর ভূমিকা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তারা আরও বলেন যে, ইসরাইলের পরিকল্পিত পশ্চিম তীরের অধিকরণ বিশ্বের শান্তির জন্য এক বড় হুমকি।

শান্তি ও ন্যায়ের আহ্বান

বিক্ষোভকারীরা শান্তির ডাক দেন এবং দাবি করেন, ইসরাইল যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করছে, গণহত্যা বন্ধ করো, এমন কিছু লেখা ব্যানার বহন করেন। তারা ইসরাইলের নীতির বিরুদ্ধে এবং ফিলিস্তিনিদের জন্য ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে অবিলম্বে পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে, বিশেষ করে ইউরোপীয় দেশগুলিতে, ফিলিস্তিনিদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে প্রতিবাদ বাড়ছে, এবং সুইডেনও তার অবস্থান স্পষ্ট করতে চাপের মুখে রয়েছে। সুইডিশ সরকার ফিলিস্তিনিদের অধিকার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেও, বিক্ষোভকারীরা আরও দৃঢ় পদক্ষেপের দাবি জানান।

পশ্চিম তীরে চলমান সহিংসতা

এ প্রতিবাদ ইসরাইলের পশ্চিম তীরে চলমান সহিংসতার মাঝেই অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে ইসরাইলি সেনাবাহিনীর হামলায় বেশ কয়েকজন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। এই পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ বৃদ্ধি পেয়েছে, এবং অনেকেই সতর্ক করেছেন যে, যদি ইসরাইল তাদের দখলদারিত্বের কার্যক্রম অব্যাহত রাখে, তবে পরিস্থিতি আরও সংকটপূর্ণ হয়ে উঠবে।

ফিলিস্তিনিদের প্রতি আন্তর্জাতিক সংহতি

স্টকহোমের বিক্ষোভ বিশ্বব্যাপী ফিলিস্তিনিদের প্রতি সমর্থনের অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত হয়। ইউরোপীয় শহরগুলোতে এমন প্রতিবাদগুলো আরও তীব্র হচ্ছে, যেখানে মানুষ ইসরাইলের অবৈধ দখল এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় ন্যায়সঙ্গত সমাধানের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ