চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে ইসলামী ব্যাংক থেকে চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরি ফেরানো এবং তাদের বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামী–সমর্থিত চট্টগ্রাম–১৬ (বাঁশখালী) আসনের প্রার্থী মাওলানা জহিরুল ইসলাম। তিনি জানান, জামায়াত সরকার গঠন করলে এসব সিদ্ধান্ত অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করা হবে।
গতকাল শুক্রবার বিকেলে বাঁশখালীর শীলকূপ ইউনিয়নে চাকরিচ্যুত ব্যাংক কর্মীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। শনিবার সভার ২ মিনিট ৫ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি আলোচনায় আসে।
সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে জহিরুল ইসলাম ইসলামী ব্যাংকের কিছু শীর্ষ কর্মকর্তার আচরণের সমালোচনা করেন। তিনি অভিযোগ করেন, “কিছু ব্যাংকার পরিকল্পিতভাবে ইসলামী ব্যাংকের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে। যদি আপনার সন্তান বা পরিবারের কেউ এভাবে চাকরি হারাত, তাহলে আপনার কেমন লাগত? আপনি মানুষের রিজিকে হাত দিয়েছেন; আল্লাহ বিচার করবেন।”
চাকরিচ্যুতদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি আরও বলেন, “যাঁরা গোপনে বা প্রকাশ্যে অন্যের জীবিকা ও সম্মানে আঘাত করেছেন, তাঁদের বিচার একদিন হবেই। আমরা ক্ষমতায় এলে সবাইকে ন্যায্য অধিকার ফিরিয়ে দেব।”
মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন বাঁশখালী উপজেলা জামায়াতে ইসলামের সাংগঠনিক সম্পাদক জিএম সাইফুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদের সদস্য শহিদুল মোস্তাফা, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মোক্তার হোছাইন সিকদার এবং উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আরিফুল্লাহ।
ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে জহিরুল ইসলামকে বারবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি এবং পাঠানো বার্তায়ও কোনো জবাব দেননি।